২০২৪-২-২৫ শিক্ষাবর্ষের ফরম পূরণের সময় ০১/০৩/২০২৬ খ্রি. থেকে ০৯/০৩/২০২৬ পর্যন্ত, ওয়েবসাইটের কাজ চলমান, ধন্যবাদ।

President Message

কামাল হোসেন পাটোয়ারী

প্রতিষ্ঠাতা

প্রতিষ্ঠাতা পরিচিতি
জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার হরিশপুরা গ্রামে ১৯৭৩ সালের ৩রা জুলাই এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুর রহমান পাটোয়ারী এবং মাতার নাম রহিমা খাতুন। তাঁর পিতা পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী পাঁচ বোন এবং তিন ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয়। তিনি ১৯৮৮ সালে পেরপেটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি এবং পয়ালগাছা পোষ্ট গ্রাজুয়েট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৪ সালে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অনার্স ডিগ্রি এবং ১৯৯৫ সালে একই বিষয়ে এম কম ডিগ্রি অর্জন করেন।
শিক্ষা জীবন শেষ করে তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কিছুদিন চাকরী করেন। তিনি ১৯৯৯ সালে আমেরিকা গমন করেন এবং ২০০৫ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব গ্রহন করে সেখানে ব্যবসা শুরু করেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা, সততা, বিচক্ষণতা এবং আল্লাহর মেহেরবানীতে অল্পদিনেই তিনি ব্যবসায় সফলতা লাভ করেন। জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাঙ্গালী কমিউনিটিতে একজন পরিচিত মুখ। তিনি ফ্লোরিডায় মসজিদ, মাদ্রাসা এবং ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের সাথে জড়িত।
জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী তাঁর নিজ এলাকায় গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সহযোগিতার জন্য তিনি প্রথমে মরহুম আব্দুর রহমান পাটোয়ারী স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। যার মাধ্যমে গত কয়েক বছর ধরে এলাকার মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি প্রদান করেন। তিনি ২০২২ সালে নিজ এলাকায় শিক্ষা উন্নয়নের জন্য কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে বিনা বেতনে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাদের বাড়ির তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত গ্রামের হরিশপুরা দারুল উলুম মাদ্রাসাকে দাওরায় হাদীস পর্যন্ত উন্নীত করার জন্য সকল প্রকার দায়িত্ব তিনি গ্রহন করেন। যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধিন।
এলকার স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়নের জন্য তিনি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করেন এবং সাধারন মানুষের জন্য একটি গণ কবরস্থান প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম গ্রহন করেন। এছাড়াও তিনি মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা সহ গরীব ও দুঃস্থ এতিম সন্তানদের ব্যাপক সহযোগিতার জন্য তিনি একটি দারিদ্র্য ফান্ড এবং বিতরণ কমিটি গঠন করেন।
তিনি বিবাহিত। তিন (৩) ছেলে এবং স্ত্রীকে নিয়ে বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করেন। তিনি বরুড়া উপজেলা জনকল্যান সমিতির আজীবন সদস্য।

প্রতিষ্ঠাতার শুভেচ্ছাবাণী
আলহামদুলিল্লাহ্ ওয়াছ ছালাতু ওয়াস্সালামু আলা রাসুলিল্লাহ।
শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠা আমাদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ‘হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ’। প্রতিষ্ঠানটি অগ্রযাত্রার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলেছে এটি আমাদের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়।
আমরা মহান আল্লাহর উপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস থেকে বলতে পারি, জ্ঞানচর্চা ও নৈতিকতা বিকাশের মহান উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি সাফল্যের পথে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে চলছে। এটি কেবল একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় বরং চরিত্রবান, দায়িত্বশীল, সমাজসচেতন ও আদর্শ মানুষ গড়ে তোলার একটি আলোকিত কেন্দ্র।
সাফল্যের এই অগ্রযাত্রার নেপথ্যে যাঁরা নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন- সম্মানিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচরী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সকল শুভানুধ্যায়ী- তাঁদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে নির্দেশ দিয়ে বলেন- “তোমরা ন্যায়-কল্যাণকর কাজে এবং তাকওয়ার বেলায় একে অপরের সহযোগী হও”। তাই একথা স্বীকার্য যে, আপনাদের আন্তরিকতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই প্রতিষ্ঠানটিকে আজ একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
আমাদের প্রত্যাশা- মহান আল্লাহর দয়ায় এখান থেকে গড়ে উঠা শিক্ষার্থীগণ জ্ঞান, তাকওয়া ও নৈতিকতায় বলীয়ান হয়ে দেশ, জাতি ও উম্মাহ্র খেদমতে আতœনিয়োগ করবে- ইন্শা’আল্লাহ। মহান আল্লাহ এই প্রতিষ্ঠানসহ আমাদের অন্যান্য স্বপ্নগুলোকে কবুল করে উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখুন এবং কার্যক্রমে বরকত দান করুন। আমিন।

  • ধন্যবাদান্তে,
  • কামাল হোসেন পাটোয়ারী
  • প্রতিষ্ঠাতা
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

আব্দুল মমিন পাটোয়ারী

সভাপতি

আলহামদুলিল্লাহ্,
মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া তিনি আমাদের দোয়া কবুল করেছেন। অবশেষে সবার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আমার স্নেহের ভাইয়ের অর্থায়নে আজ হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত।
পবিত্র কোরআনের শুরুতে আল্লাহ পাক বলেছেন “পাঠ করুন আপনার প্রতিপালকের নামে, যিনি আপনাকে সৃষ্টি করেছেন।” (সুরা আলাক)।
রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন “তোমরা তোমাদের সন্তানদের শিক্ষা দাও। কেননা তারা এমন এক যুগে বসবাস করার জন্য সৃষ্টি হয়েছে, যা তোমাদের যুগ নয়।”
হরিশপুরা একটি প্রাচীন জনপদ। এর আশেপাশে একটি বিশাল অঞ্চল জুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষের বসবাস। কিন্তু এই জনপদে কোন কলেজ না থাকায় দীর্ঘদিন যাবত এই অঞ্চলের তরুণ-তরুণীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। আমি যখন উচ্চ মাধ্যমিক এর ছাত্র তখনই এ বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তোলে। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও অন্যান্য কারণে আমার পক্ষে তখন কলেজ প্রতিষ্ঠা করার মত বিশাল কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব ছিল না। বিলম্ব হলেও আমার সেই মনোবাসনা পূরণ হয়েছে। আমার কনিষ্ঠ ভ্রাতা কামাল হোসেন পাটোয়ারীর অর্থায়নে বিশাল মাঠকে সামনে রেখে সুদৃশ্য বহুতল ভবনে হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আমি অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনগণকে আহ্বান জানাই “আসুন আমাদের সন্তানদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করি।” দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই হাতে হাত রেখে একসাথে কাজ করি। আল্লাহ আমাদের সহায় হক। 

  • ধন্যবাদান্তে,
  • আব্দুল মমিন পাটোয়ারী
  • সভাপতি
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

Principal Message

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন

অধ্যক্ষ

কমিল্লা জেলার বরুড়া থানায় অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের মহান ব্রত নিয়ে ২০২৩ খিষ্টাব্দে হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে এই দেশের উ”চ শিক্ষায় অব্যাহতভাবে অবদান রেখে চলেছে। প্রতিষ্ঠানটি অত্র এলাকার রত্ন আমেরিকান সিটিজেনশীপ, কর্মবীর ও শিক্ষানুরাগী জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানের ডোনেটর জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারীরর অক্লান্ত পরিশ্রম এবং শিক্ষার প্রসারে সারাজীবনের লালিত স্বপ্ন আজ পরিপূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে যথাযথ মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে অব্যাহত অবদান রেখে সকল মহলের সুদৃষ্টি অর্জনে সক্ষম। প্রতিষ্ঠানটি আলো ছড়া”েছ এবং আলোকিত মানুষ তৈরি করছে।
সুশৃঙ্খল ও নিবিড় নিয়মানুবর্তিতার মাধ্যমে কর্মযজ্ঞ পরিচালনার কারনেই হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ ইতোমধ্যে অত্র উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী করেয়কটি উপজেলার সেরা প্রতিষ্ঠানের ¯’ান নিতে সক্ষম হয়েছে। মনোরম পরিবেশ, সুদর্শন শ্রেণিকক্ষ, একাধিক বিজ্ঞানাগার, আইসিটি ল্যাব, মাল্টিমিডিয়া শেণিকক্ষ, ল্যাংগুয়েজ ক্লাব, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ইত্যাদিতে স্বয়ংসম্পন্ন প্রতিষ্ঠনটি সত্যিই আধুনিক জ্ঞান ভান্ডারের জায়গা।

  • ধন্যবাদান্তে,
  • মো: ইব্রাহিম হোসেন
  • অধ‌্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত)
  • হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ

Our College History

হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি/ইতিহাস

ছায়া সুনিবিড় বৃক্ষলতা বেষ্টিত হরিশপুরা এক প্রাচীন জনপদ। ছবির মত এই গ্রামটির আশেপাশে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষের বসবাস। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর গত ১০ই মার্চ ২০২৩ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর ¯’াপনের মধ্য দিয়ে “হরিশপুরা কামাল হোসেন কলেজ” আত্নপ্রকাশ করে।
অত্র গ্রামের সম্ভ্রান্ত পাটোয়ারী পরিবারের ক…তি সন্তান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জনাব আব্দুল মমিন পাটোয়ারী সাহেব ছাত্র জীবন থেকে এই অঞ্চলে উ”চ শিক্ষা বিস্তারের জন্য একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। এই কলেজটিকে তাঁর “ব্রেইন চাইল্ড”বলা যেতে পারে। তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা জনাব কামাল হোসেন পাটোয়ারী আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট্য ব্যবসায়ী নিজস্ব জমিজমা ও অর্থায়নে তিনি এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১০১ শতাংশ জমির উত্তর পাশ ঘিরে সুদৃশ্য পাঁচ (৫) তলা ভবন ও সামনে বিস্তীর্ণ মাঠ। একঝাঁক তরুন শিক্ষক, সমস্ত আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত করবে বলে আশা করা যায়।
কলেজ প্রতিষ্ঠায় যাদের কাছে ক…তজ্ঞতা প্রকাশ না করলে কলেজের ইতিহাস পূর্ণতা পাবে না তাঁরা হলেন জনাব মো: জামাল নাছের (মাননীয় চেয়ারম্যান, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড), জনাব জহিরুল ইসলাম পাটোয়ারী (কলেজ পরিদর্শক), বিজন কুমার চক্রবর্তী (উপ-কলেজ পরিদর্শক), জনাব মেহেদী হাসান (উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা) প্রমূখ। অত্র গ্রামের জনাব আনিসুল হক, সফিউল্লাহ পাটোয়ারী এবং সর্বস্তরের জনগন তাঁদের শ্রম ঘাম দিয়ে কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছেন।
পরম করুনাময় এবং অসীম দয়ায় এই কলেজ মানুষের জন্য কল্যানময় হউক।

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.